দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ১০ বছরের কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ২০২৬ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ১০ বছরের কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। দুই ধাপে বাস্তবায়নের এই পরিকল্পনায় তেল পরিশোধন সক্ষমতা বাড়ানো, জ্বালানি তেলের মজুত ৯০ দিনে উন্নীত করা এবং মহেশখালী-মাতারবাড়ীকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

পরিকল্পনায় ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে বার্ষিক পরিশোধন সক্ষমতা ১৫ লাখ থেকে ৪৫ লাখ টনে উন্নীত করার উদ্যোগ রয়েছে। পাশাপাশি ৮০ লাখ টন বার্ষিক সক্ষমতার তৃতীয় পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি এবং মহেশখালীতে কম্পোজিট পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি ও পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

জ্বালানি অবকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে মহেশখালী-মাতারবাড়ী, চট্টগ্রাম, মোংলা ও এলেঙ্গায় এলপিজি টার্মিনাল, স্টোরেজ ও বটলিং প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ডিপোগুলোতে অটো গেজিংসহ বিপণন ব্যবস্থাকে ধাপে ধাপে অটোমেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

জ্বালানি তেলের মজুত ৯০ দিনে উন্নীত করতে চট্টগ্রাম, পার্বতীপুর, কুমিল্লা, মোংলা, গোদনাইল, ভৈরব ও সিলেটে নতুন স্টোরেজ ট্যাংক এবং সিলেট, বগুড়া, ময়মনসিংহ ও ঈশ্বরদীতে নতুন ডিপো স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আমদানি বিঘ্ন, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বা অন্যান্য সংকটের সময় দেশের জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে বিপিসি।

Translate