চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

একদিনের সফরে রোববার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন তার চট্টগ্রামের বাঁশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বাঁশখালী ও হাটহাজারী উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নতুন ঘর ও পুনর্বাসন সহায়তা প্রদান করবেন। এরপর তিনি নগরীতে বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে মিলিত হবেন। এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে নিরাপত্তাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সরকার প্রধান তারেক রহমান সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গত ২৫ জানুয়ারি তিনি চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন।

এদিকে ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে। পরে প্রধানমন্ত্রী হাটহাজারীতে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় যাবেন। রোববার রাতে নগরীর পাঁচ তারকা রেডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের অডিটোরিয়ামে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

এ বিষয়ে শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছেন। তিনি কেবল বন্যার্তদের তাৎক্ষণিক সাহায্য প্রদানই করছেন না, বরং তাদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের জন্য জোরালো পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দলীয় উদ্যোগে হাটহাজারীতে ৩০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সম্পূর্ণরূপে বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের বাঁশখালীতেও ইতোমধ্যে অনেক পরিবারকে পুনর্বাসনের আওতায় আনা হয়েছে।

তৃণমূলের সঙ্গে মতবিনিময় তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন উল্লেখ করে ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ এবং মহানগর বিএনপির তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এ সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগকে রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি ‘বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত’ মনে করা হচ্ছে। এ জন্য নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বসিত।

Translate