জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন ও অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা বিবেচনায় এই সময় বাড়ানো হলেও অর্থনীতিবিদরা একে কেবল সময়ক্ষেপণ নয়, বরং কাঠামোগত সংস্কার ও অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করার বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন। উত্তরণ-পরবর্তী বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে রফতানি বহুমুখীকরণ, নতুন বাজার সৃষ্টি, ব্যাংক খাতের সংস্কার, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।