মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতির পারদ এখন তুঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলতে থাকা যুদ্ধের মাঝেই ঘটল নতুন এক ঘটনা। ছুটি কাটাতে ক্যাম্প ডেভিডে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
কিন্তু সব কাজ ফেলে হুট করেই তিনি ছুটির সফর সংক্ষিপ্ত করে হোয়াইট হাউসে ফিরে এসেছেন। হঠাৎ কেন তিনি সফর ছোট করলেন, সে বিষয়ে ট্রাম্পের দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
ঠিক একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা নিজেদের নাগরিকদের সাবধানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তারা সতর্ক করে বলেছে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যকার এই লড়াই যেকোনো মুহূর্তে আরও ভয়ানক রূপ নিতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ১১টি মার্কিন দূতাবাস ইতোমধ্যে বার্তা পাঠিয়েছে যে, পরিস্থিতি যেকোনো সময় খারাপ হতে পারে এবং ভ্রমণের ক্ষেত্রে ব্যাপক ঝামেলা হতে পারে।
পরিস্থিতি কতটা যে থমথমে, তার প্রমাণ মিলল শনিবার। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে এক বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। চারপাশ ঢেকে যায় কালো ধোঁয়া ও আগুনে। ইয়েমেনের হুথিরা এই হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে, তারা সৌদি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সব জায়গায় হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে, এই যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে ট্রাম্পের কাছে নিজেদের তিনটি বড় দাবি তুলে ধরেছে ইরান। ইরানের নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান মোহসেন রেজাই জানান, লড়াই বন্ধ করতে হলে প্রথমত সব জায়গায় যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, ইরানের যেসব অর্থ আমেরিকা আটকে রেখেছে তা ছেড়ে দিতে হবে। আর তৃতীয়ত, হরমুজ প্রণালি ঘিরে মার্কিন নৌবাহিনীর যে ঘেরাও বা অবরোধ রয়েছে, তা পুরোপুরি তুলে নিতে হবে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।