লাগাতর হুমকির পর হুট করেই ইরানের সঙ্গে আলোচনার কথা বলছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ফোয়াদ ইজাদির মতে, তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই কৌশল নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইজাদি বলেছেন, ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য আন্তর্জাতিক তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ‘খুব দ্রুত’ শেষ হবে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। তবে অপরিশোধিত তেলের দাম এখনও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে রয়েছে।
ইজাদি বলেন, ইরান যুদ্ধ মার্কিন জনগণ পছন্দ করছে না। কারণ এই যুদ্ধের প্রভাব সরাসরি জ্বালানি বাজারে পড়ছে এবং সাধারণ আমেরিকানদের গ্যাস স্টেশনে বাড়তি মূল্য দিতে হচ্ছে। আমেরিকানরা শুধু ক্ষেপণাস্ত্রের খরচ দিচ্ছে না, তারা গ্যাস স্টেশনেও এই যুদ্ধের মূল্য দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ইরান এখন এমন একটি স্থায়ী সমাধান চায় যাতে ভবিষ্যতে আবার একই ধরনের হামলা বা উত্তেজনা তৈরি না হয়। কারণ ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট মেয়াদ এখনও আরও আড়াই বছর বাকি।
ইজাদি দাবি করেন, চলমান সংঘাতে ইরানের প্রায় ২৫০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। অনেক সিনিয়র নেতা মারা গেছেন। এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে চায় তেহরান সরকার। তবে ইরান কোনো ধরনের বাজে চুক্তি করতে চায় না।