শুক্রবার ২২শে মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে আ.লীগের তৎপরতার বিরুদ্ধে এনসিপির বিক্ষোভ

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক তৎপরতা ও পুনর্বাসনের চেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার (১৫ মে) বিকাল ৪টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগর, যুবশক্তি, ছাত্রশক্তি ও শ্রমিকশক্তির যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নবনির্বাচিত আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ সোয়াইবের সভাপতিত্বে এবং নবনির্বাচিত সদস্যসচিব আরিফ মঈনুদ্দিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন– এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব নিজাম উদ্দিন ও হুজ্জাতুল্লাহ বিন ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক জোবাইর হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ ইকবাল চৌধুরী ও আশরাফুল হক টিপু, যুবশক্তির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইফাদ ইব্রাহিম প্রমুখ।

সভায় এনসিপি নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘চট্টগ্রামের মাটিতে আওয়ামী লীগের কোনও ধরনের গোপন বা প্রকাশ্য অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না। তারা যদি আবার কোনও রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে চট্টগ্রামের সচেতন ছাত্র-জনতা ও এনসিপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা রাজপথেই তার দাঁতভাঙা জবাব দেবে। আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে যেকোনও স্বৈরাচারী শক্তির পুনরুত্থান ঠেকাতে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় রাজপথে সর্বদা সজাগ ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে এনসিপি, যুবশক্তি, ছাত্রশক্তি ও শ্রমিকশক্তি।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী রিদুয়ান হৃদয় বলেন, ‘জানাজার মতো একটি ধর্মীয় ও সংবেদনশীল অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যেভাবে অবৈধ মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কর্মীরা ধৃষ্টতাপূর্ণ স্লোগান দেওয়ার সাহস পেয়েছে, তা চট্টগ্রামের সচেতন ছাত্র-জনতার মনে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে কোনও খুনি, ফ্যাসিবাদী ও নিষিদ্ধ সংগঠনের রাজনীতি করার অধিকার নেই। আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে— আওয়ামী লীগকে কোনও ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করতেই কি এমন আয়োজন করা হচ্ছে? চট্টগ্রামের মাটিতে আওয়ামী লীগকে কোনও ধরনের রাজনৈতিক সুবিধা দেওয়া বা পুনর্বাসনের যেকোনও সুপ্ত চেষ্টা আমরা কঠোরভাবে প্রতিহত করবো।’

সমাবেশ শেষে প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।

Translate