ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ২০২৬ সালের ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সে বিশ্বের সেরা পর্যটন দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে জাপান। এরপর যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, চীন, সুইজারল্যান্ড ও ইতালি। শীর্ষ ১০ দেশের ছয়টিই ইউরোপের।
পরিবহনব্যবস্থা, নিরাপত্তা, মূল্য প্রতিযোগিতা, ভিসা ব্যবস্থা, হোটেল ও গণপরিবহনের খরচ-দক্ষতা, ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের সংখ্যা এবং পর্যটনের বিস্তৃতি বিবেচনায় নিয়ে সূচকটি তৈরি করা হয়েছে। ডব্লিউইএফ জানিয়েছে, ২০২৪ সালের তুলনায় ৯২ শতাংশ দেশের পর্যটন পরিবেশের উন্নতি হয়েছে।
ডব্লিউইএফের অভিজ্ঞতা অর্থনীতি ও নগরবিষয়ক প্রধান রম্য কৃষ্ণস্বামী বলেন, “পর্যটনে এখন শুধু বেশি পর্যটক আকর্ষণ করাই লক্ষ্য নয়। মানুষ, অবকাঠামো এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে বিনিয়োগের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, ব্যবসা ও গন্তব্যগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।”
জাপান বড় পর্যটনকেন্দ্রের বাইরে ভ্রমণ উৎসাহিত করায় পর্যটকদের কয়েকটি শহরে কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি কমেছে। দেশটি একই সঙ্গে রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক আকর্ষণ করছে।
সূচকে সবচেয়ে দ্রুত উন্নতি করেছে আলবেনিয়া; দুই বছরে দেশটির স্কোর বেড়েছে ৭ শতাংশ। কম খরচে ভ্রমণ, উন্নত বিমান পরিবহন অবকাঠামো ও পর্যটনসেবা এ অগ্রগতিতে ভূমিকা রেখেছে। দ্রুত উন্নতি করা অন্য দেশগুলো হলো ভিয়েতনাম, লাওস, কাতার, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মরক্কো, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা।