মঙ্গলবার ২১শে জুলাই, ২০২৬

বাঁশখালীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ৭ বছরের কারাদণ্ড

জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের মামলায় বাঁশখালীর ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে (৫৬) সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মুজিবুল হক চৌধুরী বাঁশখালীর ১০ নম্বর চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল করিম রনি জানান, মুজিবুল হক চৌধুরী জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখেন যা আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, আসামি তার আয়কর নথিতে প্রদর্শিত আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত সম্পদ অর্জন করেছেন। যাচাই-বাছাই শেষে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তার মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ টাকা হলেও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১ কোটি ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৮ টাকা। এতে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।

২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এ মামলাটি দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে ২০২৫ সালের ৩ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

Translate