ফারুক অভিনীত কালজয়ী ৫ সিনেমা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’খ্যাত চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের জন্মদিন মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট)। ১৯৪৮ সালের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ২০২৩ সালের ১৫ মে পাড়ি জমান না ফেরার দেশে। দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকার পর জীবনযুদ্ধে হার মানেন তিনি।

জন্মদিনে জেনে নেওয়া যাক তার কালজীয় পাঁচটি সিনেমা সম্পর্কে।

১. আবার তোরা মানুষ হ

‘আবার তোরা মানুষ হ’ কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক খান আতাউর রহমানের পরিচালনায় ১৯৭৩ সালে মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি বঙ্গবাণী নামক এক কলেজে সাতজন তরুণ মুক্তিযোদ্ধার দেশপ্রেমের গল্প। যারা মুক্তিযুদ্ধের পরেও দেশপ্রেমের শপথ নিয়ে দেশ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখে।

এ সিনেমায় ফারুক ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন–রাইসুল ইসলাম আসাদ, ববিতা, সরকার ফিরোজ ও খান আতাউর রহমান।

২. সুজন সখী

১৯৭৫ সালের ১০ অক্টোবর মুক্তি পাওয়া ছবিটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। জনতা প্রোডাকশনের ব্যানারে ছবিটির পরিচালক ছিলেন প্রমোদকার গোষ্ঠী।

পারিবারিক দ্বন্দ্বে দুই ভাইয়ের আলাদা হয়ে যাওয়া ও তাদের মিলনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে এই চলচ্চিত্রে। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ফারুক ও কবরী সারোয়ার।

৩. লাঠিয়াল

লাঠিয়াল চলচ্চিত্রটি ১৯৭৫ সালের ২২ আগস্ট মুক্তি পায়। নারায়ণ ঘোষ মিতা ছবিটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন। চলচ্চিত্রটিতে ফারুক ছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন–আনোয়ার হোসেন, রোজী আফসারী ও ববিতা।

৪. সারেং বউ

সারেং বউ চলচ্চিত্রটি ১৯৭৮ সালে মুক্তি পায়। এটি পরিচালনা করেছেন আবদুল্লাহ আল মামুন। এই ছবিটিতে আবদুল জব্বারের কণ্ঠে গাওয়া ‘ওরে নীল দরিয়া’ গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনসংগ্রামের গল্পে নির্মিত হয় চলচ্চিত্রটি। এতে ফারুকের বিপরীতে ছিলেন ববিতা।

৫. গোলাপী এখন ট্রেনে

আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৭৮ সালে। চলচ্চিত্রটিতে ফারুক ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন–ববিতা, আনোয়ার হোসেন, রোজী সামাদ, আনোয়ারা, রওশন জামিল, এটিএম শামসুজ্জামান প্রমুখ। মস্কো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এই ছবির প্রদর্শনী হয়। সেসময় ছবিটি দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন কিংবদন্তি পরিচালক মৃণাল সেন।

Translate