তিন দফা দাবির বাস্তবায়ন চেয়ে রাজধানীর পল্টন মোড়ের অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
পল্টন মোড়ে গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশে থেকে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ চৌদ্দ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকারীদের বিচার এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ চাওয়া হয়। আর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে বিকাল ৩টায় শাহবাগে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক সংহতি সমাবেশ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন রাশেদ খান। তিনি জানান, সেখানে গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব দল অংশ নেবে।
বুধবার বিকালে তিন দাবিতে ওই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে গণঅধিকার পরিষদ। বিকাল ৫টায় বিজয়নগর দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা পল্টন মোড়ে অবস্থান নেন। এ সময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে চার পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে সন্ধ্যা ৬টায় জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে অবরোধ প্রত্যাহার করেন রাশেদ খান।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মতো জাতীয় পার্টির কার্যক্রমও দ্রুত নিষিদ্ধ করতে হবে। কারণ তারা এ দেশের দল নয়, ভারতের দল। শুধু তাই নয়, ফ্যাসিস্টের দোসর চৌদ্দ দলের শরিক দলগুলোকেও নিষিদ্ধ করতে হবে, না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান রাশেদ খান। তিনি বলেন, আমাদের কার্যালয়ের দরজা ভেঙে হামলা করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আর হতে দেওয়া হবে না।
অবরোধ কর্মসূচি করায় দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা সরকারকে সহযোগিতা করছি। আমরা চাই না, আপনারা ব্যর্থ হন। আমরা চাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালযের একটি ইটও থাকতো না। আমরা আইনকে অমান্য করিনি।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন– গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপিত ফারুক হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন ও দফতর সম্পাদক শাকিল উজ-জামানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।