কক্সবাজারের টেকনাফের সাবেক পৌর কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে হেফাজতে নিয়েছে সেনাবাহিনী।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন গত রবিবার একরামুল হত্যা মামলায় চার্জশিট জমা দেয়। এতে অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৭ এর তৎকালীন অধিনায়ক ও লেফট্যানেন্ট কর্নেল মিফতাহর নাম রয়েছে।
অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
টেকনাফের কাউন্সিলর একরামুল ২০১৮ সালের ২৭ মে নিহত হন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, মিফতাহকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা সেনানিবাসের স্বপ্নচূড়া-১ ভবনের ৫১৬ নম্বর কক্ষে অবস্থান করা মিফতাহকে সহকারী অ্যাডজুট্যান্ট ও কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেলের মাধ্যমে ‘লগ এরিয়া’ হিসেবে পরিচিত সেনাবাহিনী সদর দপ্তরের ‘ওল্ড মেসে’ স্থানান্তর করা হয়েছে।
জানা গেছে, তাকে গতকাল রাত ১০টা ৩৯ মিনিটে হেফাজতে নেওয়া হয়।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব এবং এর সাতজন কর্মকর্তার ওপর ২০২১ সালে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সেই তালিকায় মিফতাহর নামও ছিল।
টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল র্যাব-৭ এর সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। র্যাব হেফাজতে থাকাকালীন তিনি নিজের পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন।
সে সময় পরিবারের সদস্যরা ফোনেই তাকে গুলি করার শব্দ শুনতে পান। পরে সেই ফোনালাপের রেকর্ড ফাঁস হলে ঘটনাটি দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে।