রবিবার ১৯শে জুলাই, ২০২৬

এভাবে চললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে: গোলাম পরওয়ার

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশের জনগণ যখন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, ঠিক সেই সময় একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে দেশের পরিস্থিতি অস্থির ও অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া ইউনিয়নে এক উঠান বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

পরওয়ার বলেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনাও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ। দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বারবার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকারি সংস্থাগুলোর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন উল্লেখ করেন তিনি বলেন, ‘সরকার ঘোষিত টাইমলাইনে নিরাপদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের সব অর্গানকে আরো কঠোর হতে হবে।

রাজনৈতিক দলগুলোকে সহনশীল, ধৈর্যশীল ও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

একই দিন এক সহযোগী সদস্য সম্মেলনে গোলাম পরওয়ার বলেন, অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ গড়তে নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। রাষ্ট্রসংস্কার ও জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদানে গণভোটের পক্ষে মত দেন তিনি।

জামায়াত নেতা বলেন, ‘স্বৈরাচারী সরকার পতনের আন্দোলনে আবু সাঈদ, মুগ্ধসহ অসংখ্য ছাত্র-জনতা জীবন দিয়েছেন, কিন্তু মাথা নত করেননি। প্রায় দুই হাজার ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ এবং হাজার হাজার মানুষের পঙ্গুত্বের বিনিময়ে পাওয়া নতুন বাংলাদেশকে তাদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী গড়ে তোলাই এখন আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’

দুর্নীতিকে দেশ নির্মাণের অন্তরায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ছাত্র-জনতা যেভাবে কর্তৃত্ববাদী শাসনকে লালকার্ড দেখিয়েছে, আমরাও তেমনি দুর্নীতিকে লালকার্ড দেখাব, ইনশাআল্লাহ।’

Translate