শুক্রবার ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬

একই ওভারে ফিরলেন লিটন-শামীম

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ১৭ ওভারে বাংলাদেশ ১৪১/৪ (নুরুল ৮*, জাকের ১২*; সাইফ ১২, তাওহীদ ৯, লিটন ৭৩, শামীম ২১)

হৃদয়ের আউটের পর শামীমের সঙ্গে ৩৫ বলে ৪৪ রানের জুটি গড়েন লিটন। এই জুটি ১৫তম ওভারে জোড়া শিকারে ভাঙেন কাইল ক্লেইন। প্রথম বলে ও’ডাউডের কাছে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শুরু থেকে ইনিংসে গতি এনে দেওয়া লিটন। ৪৬ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৩ রানে কাটা পড়েন তিনি। এক বল বিরতি দিয়ে শামীমও ক্লেইনের শিকার হয়েছেন।  উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে শামীম আউট হন ২১ রানে। তার ১৯ বলের ইনিংসে ছিল ১টি চার।

ফিফটিতে সাকিবকে ছাড়িয়ে গেলেন লিটন

ফিফটিতে অবশ্য সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে গেছেন লিটন দাস। বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ফিফটি এখন লিটন দাসের। সাকিবের ছিল ১৩টি, লিটন দাসের ফিফটির সংখ্যা এখন ১৪।

লিটনের ফিফটির পর আউট হৃদয়

সাইফ ফিরলেও ওপেনিংয়ে নামা লিটন দাসই ঝড়ো ব্যাটিংয়ে স্কোরবোর্ডে রান তুলেছেন। তার ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৬৭। অষ্টম ওভারে ছক্কা মেরে ১৪তম ফিফটিও তুলে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সিরিজে লিটন দ্বিতীয় ফিফটির দেখা পান ২৭ বলে। পরের ওভারেই অবশ্য ভাঙে লিটন-তাওহীদের ৩৮ রানের জুটি। তাওহীদ হৃদয় আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে উঠিয়ে মেরেছিলেন। যদিও লাভ হয়নি তাতে। প্রিঙ্গলের বলে ক্যাচ দিয়ে ৯ রানে ফিরেছেন। হৃদয়ের ১৪ বলের ইনিংসে ছিল না কোনও বাউন্ডারি।

থেমেছে বৃষ্টি, শুরু হয়েছে খেলা

বৃষ্টি নামায় ৩৫ মিনিটের মতো বন্ধ ছিল খেলা। বৃষ্টি অবশেষে থেমেছে, খেলা শুরু হতেও সময় লাগেনি। তাতে অবশ্য কোনও ওভার কাটা যায়নি।

সিলেটে বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা

ফ্লাডলাইট বিভ্রাটে খেলা কিছুক্ষণ বন্ধ থাকার পর এবার হানা দিয়েছে বৃষ্টি। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে খেলা আপাতত বন্ধ রয়েছে। তার আগেই লিটন ঝড়ে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়িয়েছে ৪.১ ওভারে ১ উইকেটে ৬০ রান। অবশ্য আগের ওভারেই ফিরতে পারতেন লিটন। ৩.৬ ওভারে লিটন মেরে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুললেও বাউন্ডারি লাইনে আবারও ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন শারিজ আহমেদ। লিটন তখন ৩৭ রানে ব্যাট করছিলেন।

বাজে শট সিলেকশনে বোল্ড সাইফ

শুরুর ওভারে জীবন পেয়ে বেশিক্ষণ টিকলেন না সাইফ হাসান। তৃতীয় ওভারে কাইল ক্লেইনের প্রথম বলে বাজে শট সিলেকশনের মাশুল দিয়েছেন তিনি। অ্যাক্রস দ্য লাইন খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন ১২ রানে। তার ৮ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার। অপরপ্রান্তে অবশ্য ঝড়ো ব্যাটিংয়ে রান তুলতে থাকেন লিটন। তাতে চার ওভার পূর্ণ হওয়ার আগেই স্কোর পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে। এই সময় ফ্লাডলাইটে জটিলতা দেখা দিলে খেলা বন্ধ থাকে কিছুক্ষণ

শুরুর ওভারেই জীবন পেলেন সাইফ

দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও পারভেজ হোসনকে বাদ দেওয়ায় শেষ ম্যাচে ওপেন করতে নেমেছেন অধিনায়ক লিটন দাস ও সাইফ হাসান। শুরুর ওভারেই ফিরতে পারতেন সাইফ। আরিয়ান দত্তের বলে ক্যাচ দিলেও সেটা নিতে পারেননি শারিজ আহমেদ। সাইফ তখন ৬ রানে ব্যাট করছিলেন।

টস হেরেছে বাংলাদেশ, একাদশে পাঁচ পরিবর্তন

এক ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দুটি ম্যাচে অবশ্য টস জিতে স্বাগতিকরা ফিল্ডিং নিয়েছিল। শেষ ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে যদিও টস হেরেছে তারা। শুরুতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে নেদারল্যান্ডস।

প্রথমবার ডাচদের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয়ের পর এবার বাংলাদেশের সামনে তাদের হোয়াইটওয়াশ করার হাতছানি।

একাদশে কারা

সামনে এশিয়া কাপ থাকায় এই ম্যাচে প্রত্যাশিতভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষার পথে হেঁটেছে স্বাগতিকরা। সিরিজ নিশ্চিত হওয়ায় একাদশে পরিবর্তন এনেছে পাঁচটি। বাদ পড়েছেন দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন-তানজিদ হাসান, দুই অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদ-মোস্তাফিজুর রহমান এবং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান। তাদের বাদ দিয়ে স্কোয়াডের বাকিদের খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

সুযোগ পেয়েছেন নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। এক ম‍্যাচ পর দলে ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন।

ডাচ দলে পরিবর্তন একটি। এক ম্যাচ পর ফিরেছেন টিম প্রিঙ্গল। বাদ পড়েছেন সিকান্দার জুলফিকার।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহান, জাকের আলী, শামীম হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিব।

নেদারল্যান্ডস একাদশ:  ম্যাক্স ও’ডাউড, বিক্রমজিৎ সিং, আনিল তেজা নিদামিনুরু, স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), শারিজ আহমেদ, নোয়া ক্রোয়েস, টিম প্রিঙ্গল, কাইল ক্লেইন, আরিয়ান দত্ত, পল ফন মিকারেন ও ড্যানিয়েল ডোরাম।

Translate