রবিবার ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬

সীমানা পুনর্নির্ধারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়—সিইসি

 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংস্কার কমিশনের সুপারিশ পাওয়ার আগে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়।

রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদারের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “সংস্কার কমিশনের প্রধান আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে এসেছিলেন। তারা শিগগিরই প্রতিবেদন দেবে। আমাদের কোনও সুপারিশ বা মতামত থাকলে তা জানাতে বলেছেন। আমরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমাদের অনুভূতি এবং প্রয়োজনগুলো জানিয়েছি।”

আলোচনার বিষয়বস্তু

বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, “সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ, ভোটার তালিকা সংশোধনসহ নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে আমরা আমাদের সুপারিশ তুলে ধরেছি। সংস্কার কমিশন সুপারিশ করুক বা না করুক, আমাদের সেই বিষয়গুলো সমাধান করতেই হবে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করতে ভোটার তালিকায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে।”

নির্বাচনের সময় নির্ধারণ নিয়ে মন্তব্য

রাজনৈতিক দলগুলোর ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চাওয়ার প্রসঙ্গে এবং প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্যের ভিত্তিতে সিইসি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় বলেছেন, ন্যূনতম সংস্কার করা হলে এ বছরের (২০২৫) শেষের দিকে নির্বাচন হতে পারে। তবে সংস্কার কার্যকরভাবে করতে হলে ২০২৬ সালের জুন মাস নাগাদ সময় লাগবে। আমরা সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

সংস্কার কমিশনের বক্তব্য

সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার জানান, “আমরা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বা সর্বোচ্চ ৩ জানুয়ারির মধ্যে সরকারের কাছে সংস্কার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

তিনি আরও বলেন, “সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে আমি জানতে চেয়েছি, নির্বাচন কমিশনের কোনও সুপারিশ বা প্রস্তাব আছে কিনা। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য কমিশনের মতামত খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে ইসি ও সংস্কার কমিশনের আলোচনাটি ভবিষ্যৎ নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Translate