বিশ্বকাপে দুই দলই প্রথম ম্যাচ জয়ে শুরু করেছিল। তাই যে কেউ জিতলে নিশ্চিত হতো শেষ ৩২। সেই লক্ষ্যে সফল অন্যতম স্বাগতিক মেক্সিকো। দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে এল ত্রি।
গুয়াদালাহারায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল নিষ্প্রাণ। কোনও গোলই করতে পারেনি কেউ। বিরতির পর ৫০ মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক কিম সিউং-গিউর ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে লুইস রোমো ফাঁকা জালে বল পাঠিয়ে মেক্সিকোকে এগিয়ে দেন। সেই গোলটাই ছিল জয় নির্ধারক। তখন সতীর্থ লি গি-হিউকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বল নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হন দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক কিম সিউং-গিউ। আর সেটাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।
তবে ম্যাচের শেষ দিকে মেক্সিকো গোলকিপারের বীরত্বও এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে জোড়া সেভ করে মেক্সিকোর জয় নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখেন গোলরক্ষক রাউল রাঙ্গেল। পরপর দুটি প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি। প্রথমে কাছ থেকে নেওয়া চো গ্যু-সুংয়ের হেড ঠেকিয়ে দেন। ফিরতি বলে ইয়াং হিউন-জুনের শটও রুখে দেন তিনি।
এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার অধিনায়ক সন হিউং-মিনও রাঙ্গেলকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠানোর সুযোগ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু তখন এদসন আলভারেজ গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে দেন। পরে অবশ্য অফসাইডের পতাকাও ওঠে।
অপরদিকে, মেক্সিকোর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ ছিল। ৭৫ মিনিটে রাউল হিমেনেস শট নিলেও তা সেভ করেন গোলরক্ষক কিম। শেষদিকে বদলি খেলোয়াড় ওবেদ ভার্গাসের জোরালো শটও দুর্দান্ত ডাইভ দিয়ে ঠেকান কোরিয়ান গোলরক্ষক।
টানা দ্বিতীয় জয়ের পর মেক্সিকো শেষ ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে হার এড়াতে পারলেই ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করবে। বিপরীতে হারলেও নকআউটের দৌড়ে সুবিধাজনক স্থানেই রয়েছে এশিয়ার প্রতিনিধি দক্ষিণ কোরিয়া। উদ্বোধনী ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে টেবিলের দুইয়ে রয়েছে তারা। ২ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। শীর্ষে থাকা মেক্সিকোর অর্জন ৬ পয়েন্ট।