দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল সংস্কার এবং পাসের হারের পরিবর্তে শিক্ষার প্রকৃত গুণগত মান নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বছরভিত্তিক শিখনফল মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কমিটির সুপারিশের মধ্যে রয়েছে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বাড়ানো, শিক্ষাখাতে বরাদ্দের স্বচ্ছ ব্যবহার, মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে গবেষণা এবং শিক্ষাঙ্গনকে দুর্নীতিমুক্ত করা। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার ৩০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কমিটির কার্যবিবরণী অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গোল্ডেন জিপিএ অর্জনকারী প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে ল্যাপটপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৭০ লাখ ছাত্রীকে বৃত্তি এবং প্রায় ৭০ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর বকেয়া পাওনা পরিশোধের কার্যক্রমও তুলে ধরা হয়েছে।