মার্কিন কংগ্রেসম্যান ড্যারেন সোটো সম্প্রতি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তরুণদের বিপ্লবী ভূমিকার স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসনের পতনে জেনারেশন-জেড’দের আন্দোলনের প্রশংসা করেন এবং জুলাই বিপ্লবের ছাত্রনেতাদের কংগ্রেসনাল ঘোষণাপত্র গ্রহণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রণ জানান। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন কংগ্রেসনাল অফিসে এক আলোচনা সভায় সোটো এই মন্তব্য করেন।
ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসম্যান সোটো দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি গণতান্ত্রিক নীতি, আইনের শাসন এবং জনগণের ইচ্ছার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান। এছাড়া, তিনি জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশি-আমেরিকানরা কংগ্রেসম্যান সোটোর এই সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তাকে বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে শ্রদ্ধা করেন। সোটো তার সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টকে এ বিষয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।
এক টুইট বার্তায় কংগ্রেসম্যান সোটো বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ক্রান্তিকালীন সময়ের হালনাগাদ তথ্য দেওয়ার জন্য মার্কিন-বাংলাদেশি জাহিদ এফ সরদার সাদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাষ্ট্র সবসময় বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে।
এর আগে, ৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে একমত প্রকাশ করে নিজের এক্স হ্যান্ডলে ড্যারেন সোটো বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত গণতান্ত্রিক নীতি, আইনের শাসন এবং জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান করা। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টকে সহযোগিতা করার আহ্বানও জানিয়েছিলেন সোটো। এছাড়া, বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রেক্ষাপট নিয়ে ১১৫তম মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপিত বিলের পক্ষে ছয় কংগ্রেসম্যানের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন সোটো।
বাংলাদেশে তরুণদের আন্দোলন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাদের ভূমিকা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর কেড়েছে। মার্কিন কংগ্রেসম্যান ড্যারেন সোটোর এই স্বীকৃতি এবং সমর্থন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।