লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, প্রতিটি লঞ্চে ভাড়ার চার্ট টানানো রয়েছে এবং ডিজিটাল ডিসপ্লেতেও নির্ধারিত ভাড়া উল্লেখ করা হয়েছে। কোনও অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নৌপথে যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার (২৬ মে) রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনের পর তিনি এসব কথ বলেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।
নৌ পরিবহনমন্ত্রী বলেন, নৌপথে যাত্রী ভোগান্তি দূর করতে সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের সামর্থ্যের মধ্যে যা কিছু রয়েছে, সবকিছু নিয়েই কাজ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই অতিরিক্ত যাত্রীচাপ সৃষ্টি হয় এবং অনেক যাত্রী নৌকা বা ট্রলারের মাধ্যমে লঞ্চে ওঠার চেষ্টা করেন। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। এ কারণে আলাদা সিঁড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে যাত্রীরা নিরাপদভাবে লঞ্চে উঠতে পারেন।
তিনি আরও জানান, যাত্রীসেবায় মনিটরিং সেল, কন্ট্রোল রুম, সিসি ক্যামেরা, ট্রলি এবং যাত্রীদের বসার জন্য রেস্টরুমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নৌ মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ, কোস্ট গার্ডসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে কাজ করছে।
তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কখনও কখনও লঞ্চ ছাড়তে বিলম্ব হতে পারে। খারাপ আবহাওয়ায় লঞ্চ চলাচল করলে পথে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। তাই যাত্রীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি।