শনিবার ১৮ই জুলাই, ২০২৬

মোবাইলে কথা বলতে বলতে পড়ে গেলেন শাবনূর, পায়ে প্লাস্টার

মোবাইলে কথা বলতে বলতে হাঁটছিলেন, অসাবধানতাবশত রাস্তায় পড়ে গিয়ে পা মচকে যায়। পরে জানা যায়, টিস্যুতেও ক্ষতি হয়েছে। এখন পায়ে প্লাস্টার, হাঁটতে হচ্ছে ক্রাচে ভর দিয়ে। সিডনিতে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা জানিয়ে শাবনূর বললেন, ‘ব্যথাটা পেয়ে আমার আক্কেল হয়েছে, জীবনে কোনো দিন কোথাও হাঁটতে–চলতে গিয়ে মোবাইল দেখব না।’

 

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ল্যাকেম্বার একটি রাস্তায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আজ দুপুরে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে জানা যায়, শাবনূরের এই দুর্ঘটনার খবর। তিনি জানালেন, গত শনিবার সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এরপর পায়ের প্লাস্টার করিয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যথানাশক ওষুধ খাচ্ছেন। দুই সপ্তাহ পায়ে প্লাস্টার রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

মোবাইলে কথা বলতে বলতে সিডনির রাস্তায় হাঁটছিলেন শাবনূর, অসাবধানতাবশত রাস্তায় পড়ে গিয়ে পা মচকে যায়

মোবাইলে কথা বলতে বলতে সিডনির রাস্তায় হাঁটছিলেন শাবনূর, অসাবধানতাবশত রাস্তায় পড়ে গিয়ে পা মচকে যায়কোলাজ

মোবাইলে কথা বলতে বলতে হাঁটছিলেন, অসাবধানতাবশত রাস্তায় পড়ে গিয়ে পা মচকে যায়। পরে জানা যায়, টিস্যুতেও ক্ষতি হয়েছে। এখন পায়ে প্লাস্টার, হাঁটতে হচ্ছে ক্রাচে ভর দিয়ে। সিডনিতে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা জানিয়ে শাবনূর বললেন, ‘ব্যথাটা পেয়ে আমার আক্কেল হয়েছে, জীবনে কোনো দিন কোথাও হাঁটতে–চলতে গিয়ে মোবাইল দেখব না।’

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ল্যাকেম্বার একটি রাস্তায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আজ দুপুরে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে জানা যায়, শাবনূরের এই দুর্ঘটনার খবর। তিনি জানালেন, গত শনিবার সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এরপর পায়ের প্লাস্টার করিয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যথানাশক ওষুধ খাচ্ছেন। দুই সপ্তাহ পায়ে প্লাস্টার রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১টায় কথা হয় শাবনূরের সঙ্গে। তখন তিনি ছোট বোন ঝুমুরের বাসায়। কথা প্রসঙ্গে শাবনূর জানালেন, গত শনিবার ল্যাকেম্বায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে সেদিন আর বাসায় ফেরেননি। পরিবারের অন্য সদস্যরাও ছিলেন। পরদিন ছেলে আইজান নেহানকে পাশের একটি মাঠে নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তা থেকে পড়ে গিয়ে পায়ে আঘাত পান।

শাবনূর বললেন, ‘আমি মোবাইলে কথা বলতে বলতে ল্যাকেম্বার রাস্তায় হাঁটছিলাম। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত ফুটপাত থেকে পড়ে যাই। পা মচকে যায়। হাঁটুর চামড়াও ছিলে গেছে। ব্যথায় এমন অবস্থা হয়, ওঠার মতো শক্তি ছিল না। তারপর হেল্প নিয়ে চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি। জানতে পারি, টিস্যুতেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপর পায়ে প্লাস্টার করে দেওয়া হয়। ব্যথানাশক ওষুধও দেওয়া হয়েছে। আমাকে এখন ক্রাচে ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হচ্ছে।’

Translate