বৃষ্টির পানি জমে থাকা কিছু সড়ক দীর্ঘদিনের উন্নয়নকাজ, খাল প্রশস্তকরণ ও বিভিন্ন স্থাপনা অপসারণের কোথাও কোথাও দেবে গেছে। এসব সড়ক উঁচু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কাজগুলো বাস্তবায়িত হলে জলাবদ্ধতা আরও কমে আসবে। রবিবার নগরীর বিভিন্ন জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা পরিদর্শনকালে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দিনরাত খাল-নালা, ড্রেন ও পানি প্রবাহ সচল রাখতে পরিচ্ছন্নতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছি। বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে স্বস্তি দিতে চলমান প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে । এছাড়া যেসব স্থাপনা বা প্রতিবন্ধকতার কারণে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, সেগুলো অপসারণ করে খাল-নালা পরিষ্কার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা ও পলি অপসারণের ফলে পানি দ্রুত নিষ্কাশন শুরু হয়েছে।
মেয়র জানান, নগরীর অবশিষ্ট খালগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে নতুন ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রোপোজাল (ডিপিপি) প্রস্তুতের কাজ চলছে। তিনি বলেন, “ডিপিপি অনুমোদন হলে আগামী বছর থেকে বাস্তবায়ন শুরু করা যাবে। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশন সমস্যার ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ সমাধান সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে নগরীর ৩৭টি খালের পাশাপাশি চসিকের আওতাধীন আরও ২১টি খাল নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। তবে জনদুর্ভোগ কমাতে বর্ষা মৌসুমে কিছু বড় প্রকল্পের কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।