জুলাই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি শেষে থানার সামনে শান্তিপূর্ণ স্লোগান দেওয়ার সময় পুলিশ অতর্কিত লাঠিচার্জ চালালে পটিয়া থানা চত্বর রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ঐসময় বৈষম্যবিরোধী ১১ ছাত্র আহত হয় ।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে সংঘটিত ঘটনাটি আজ ২ জুলাই পূর্ব ঘোষিত সাধারণ কর্মসূচী দিলে সেখানে অবস্থান করে সকাল ১০ টা দিকে মহানগর সহ বৈষম্য বিরোধী সদস্য রা সেখানে অবস্থান কালে মহানগর বৈষম্যে বিরোধী সদস্য নুসরাত আক্তার আহত হয়।
বৈষম্যে বিরোধী সদস্য নুসরাত আক্তার জানান, সাধারণ কর্মসূচী ছিল আমার থানার সামনে শান্তি পূর্ণ অবস্থান নিলে পুলিশ আমার উপর হামলা চালায় আমি আহত হয় ।
সকাল ১০ :৩০ মিনিট টা থেকে থানা চত্বর চটগ্ৰাম ও কক্সবাজার মহাসড়কে ব্লক করে দিলে মহাসড়ক ব্যবহার কারী পরিক্ষার্থী,রোগী ,ও যাত্রী রা ভোগান্তিতে পড়ে ।
অবস্থান কর্মসূচিতে ওসি আবু জায়েদ এর অপসারণ এর দাবিতে নানা স্লোগান দেয় , তারা বলে পুলিশ বাহিনী যদি আরেকবার হামলা করার সাহস দেখায় তার দাদ ভাঙ্গা জবাব দেবে পটিয়া জুলাই যোদ্ধারা।স্লোগানে বক্তারা বলেন , জায়েদ তু স্বৈরাচার এই মুহূর্তে গতি চার ।
তিন দফা কর্মসূচি দেয় সমাবেশ থেকে সার্কেল এসপি আরিফ ,ওসি জায়েদ নূর, সেকেন্ড অফিসার আসাদ এর অপসারণ ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত ৯টার দিকে পটিয়ার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে থেকে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগ নেতা দীপংকর তালুকদারকে আটক করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। পরে তাকে পটিয়া থানা চত্বরে নিয়ে আসা হয়। তবে ওই ছাত্রলীগ নেতার নামে মামলা না থাকায় পুলিশ গ্রেফতার করতে চায়নি। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনা দেখা দেয় এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ওই ছাত্রলীগ নেতাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং নেতাকর্মীদের লাঠিপেটা করে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাহেদ মো. নাজমুন নূর বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ছাত্রলীগের এক নেতাকে থানায় নিয়ে এসেছিলেন। তবে নিয়ে আসার পরে মব সৃষ্টি করে তাকে মারধর করা হচ্ছিল। একদল নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে থানায় মব নিয়ে ঢুকে যাচ্ছিল। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এতে তিন-চার জন পুলিশ সদস্য আহত হন।’