শনিবার ১৮ই জুলাই, ২০২৬

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পেলেন ইয়াং।

উদ্বোধনী ম্যাচেই দুর্দান্ত ইয়াং, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম সেঞ্চুরিয়ান

ত্রিদেশীয় সিরিজ ও প্রস্তুতি ম্যাচের হতাশা ভুলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম ম্যাচেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন উইল ইয়াং। নিউ জিল্যান্ডের এই ওপেনার দারুণ ব্যাটিংয়ে আসরের প্রথম শতক উপহার দিলেন।

করাচিতে বুধবার পাকিস্তানের বিপক্ষে ১১৩ বল খেলে ১০৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন ইয়াং। তার ইনিংস সাজানো ছিল ১ ছক্কা ও ১২টি বাউন্ডারিতে।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শতক হাঁকানো নিউ জিল্যান্ডের চতুর্থ ব্যাটসম্যান হলেন ইয়াং। কিউইদের হয়ে এই কীর্তির সর্বশেষ অধিকারী ছিলেন কেন উইলিয়ামসন, যিনি ২০১৭ সালে এজবাস্টনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১০০ রান করেছিলেন। এবারও দলের অংশ তিনি।

ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই রান খাতা খোলেন ইয়াং। এরপর বলের গতি ধরে রেখে ইনিংস বড় করতে থাকেন। পরপর দুই ওভারে ডেভন কনওয়ে ও উইলিয়ামসনকে হারিয়ে চাপে পড়া দলকে একপ্রান্ত আগলে রাখেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তিন ম্যাচে ইয়াং করেছিলেন মাত্র ৪, ১৯ ও ৫ রান। এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচেও মাত্র ১৪ রানে আউট হন তিনি।

তবে এবার ব্যর্থতার শৃঙ্খল ভেঙে ৫৬ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন ইয়াং। এরপর আরও দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন। পরবর্তী ৫০ রান তুলতে তার লেগেছে ৫১ বল। আবরার আহমেদের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ১০৭ বলে কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কে পৌঁছে যান তিনি।

ওয়ানডেতে এটি ইয়াংয়ের চতুর্থ শতক। এক বছরের বেশি সময় পর তিনি শতকের দেখা পেলেন। সবশেষ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০৫ রান করেছিলেন তিনি।

ওয়ানডেতে ইয়াংয়ের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস ১২০ রানের, ২০২২ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। এবার সেই রেকর্ড ভাঙার সুযোগ থাকলেও তা হয়নি। নাসিম শাহর বলে বদলি ফিল্ডার ফাহিম আশরাফের দুর্দান্ত ক্যাচে শেষ হয় তার ইনিংস।

ভাঙে টম ল্যাথামের সঙ্গে তার ১২৬ বল স্থায়ী ১১৮ রানের মূল্যবান জুটি।

Translate