যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার যুক্তরাজ্য কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু সামরিক কর্মী সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পদক্ষেপকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বলে অভিহিত করেছেন। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সিবিএস সংবাদমাধ্যমে এমনটাই দাবি করেছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
সিবিএস সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের আংশিক সেনাদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যের কিছু সামরিক কর্মীও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
কাতার সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, মার্কিন সামরিক কর্মী প্রত্যাহার বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে।
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় এই সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প সতর্ক করেন, বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে, যার জবাবে তেহরান পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দেয়। এরপরই ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি থাকা দেশগুলোকে হুঁশিয়ারি দেয়।
এই হুমকির প্রেক্ষিতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে। কাতার সরকার আরও জানিয়েছে, নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা রক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও সামরিক স্থাপনা সুরক্ষার জন্য সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও এই প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেনি। একজন সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের তেহরানের দূতাবাস অস্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়েছে এবং এখন এটি দূরবর্তীভাবে পরিচালিত হবে।
আল-উদেইদ মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, যেখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন এবং প্রায় ১০০ ব্রিটিশ কর্মী মোতায়েন রয়েছেন।