টিকিট নিয়ে যে কাড়াকাড়ি পড়বে, আগের রাতেই তা বোঝা গিয়েছিল। লিওনেল মেসিকে দেখতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল নাইট পার্টি, ইন্টার মিয়ামির টিম হোটেলের সামনে জড়ো হয়েছিল হাজারো জনতা। সেই উত্তেজনা মাঠেও চলল। সান জোসে আর্থকুয়েকসের বিপক্ষে ৬ গোলের থ্রিলার চলল। মাঠ পূর্ণ থাকল দর্শকে, ক্ষণে ক্ষণে গর্জে উঠল একটি ধ্বনি, ‘মেসি, মেসি…’
টিকিট নিয়ে যে কাড়াকাড়ি পড়বে, আগের রাতেই তা বোঝা গিয়েছিল। লিওনেল মেসিকে দেখতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল নাইট পার্টি, ইন্টার মিয়ামির টিম হোটেলের সামনে জড়ো হয়েছিল হাজারো জনতা। সেই উত্তেজনা মাঠেও চলল।
ম্যাচের শুরু থেকে শেষ অবধি মাঠে ছিলেন মেসি। সহজ সুযোগ পেয়েছেন অন্তত চারটি। কাজে লাগাতে পারেননি একটিও। অবশ্য মিয়ামি এদিন ৪০ সেকেন্ডের মাঝেই গোল পেয়ে যায়। দর্শকরা যতক্ষণে সিটে ঠিকঠাক বসে উঠতে পারেনি ততক্ষণে বল দুইবার জড়িয়ে গেছে জালে। ম্যাচ শুরুর মিনিটেই প্রতিপক্ষের ডিবক্সের পাশে ঢুকে পড়েন মেসি। সেখানে কারিকুরি করে বল দেন মাঝমাঠে।
এরপর দ্রুতই আক্রমণ চলে আসে ডিবক্সে। ম্যাক্সিমিলিয়ানো ফ্যালকন আলতো পায়ের ছোঁয়ায় বল জড়িয়ে দেন জালে। মিয়ামির সেই উদযাপন টেকে মিনিট খানেক। খেলা ২.১১ সেকেন্ডের মাথায় প্রতিপক্ষের গোল। ক্রিস্টিয়ানো আরানগো পান জালের দেখা।