রবিবার ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬

যুক্তরাজ্যের দুই কূটনীতিককে বহিষ্কারের ঘোষণা রাশিয়ার

মস্কো আজ সোমবার যুক্তরাজ্যের দুই কূটনীতিকের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ তুলে তাঁদের দুই সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়া ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। এর ফলে ইউরোপের সাথে রাশিয়ার সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটেছে। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে, তবুও এই ঘটনার পর সেই সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা জানিয়েছে, রাশিয়ার আনা অভিযোগে কোনো সত্যতা নেই। তবে, যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়া অব্যাহত রেখেছে, এবং প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সম্প্রতি জানিয়েছেন, তাঁরা ইউক্রেনে শান্তিরক্ষা মিশনে সেনা পাঠানোর ও উড়োজাহাজ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এসব পদক্ষেপ রাশিয়াকে ক্ষুব্ধ করেছে।

এদিকে, রাশিয়া যুক্তরাজ্যের কূটনীতিকদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঠিক এমন সময়ে, যখন লন্ডনের একটি আদালত বুলগেরিয়ার তিন নাগরিককে রাশিয়ার পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে। এসব ব্যক্তিরা রাশিয়ার একটি গোয়েন্দা ইউনিটে কাজ করতেন এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও কিছু ব্যক্তির ওপর নজরদারি করছিলেন।

রাশিয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে, এবারই প্রথম রাশিয়া ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্কের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা সত্ত্বেও পশ্চিমা কূটনীতিকদের বহিষ্কার করেছে। রাশিয়ার নিরাপত্তা বিভাগ জানায়, “এই দুই ব্রিটিশ কূটনীতিক মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করেছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমের আলামত রয়েছে, যা রাশিয়ার নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর।”

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর রাশিয়ার এই সিদ্ধান্তের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, “আমাদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার বিদ্বেষপ্রসূত ও ভিত্তিহীন অভিযোগ আগেও উঠেছে।

Translate