চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রত্যাশিতভাবেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বার্সেলোনা, লিভারপুল, বায়ার্ন মিউনিখ এবং অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ।
এদিন মোট গোল হয়েছে ২৩টি। বার্সেলোনা নিজেই শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে গোল উৎসব করেছে। নিউক্যাসলকে বিধ্বস্ত করেছে ৭-২ গোলে। দুই লেগ মিলিয়ে ফল ছিল ৮-৩।
প্রথমার্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল স্বাগতিক বার্সা। দ্বিতীয় লেগে ষষ্ঠ মিনিটে রাফিনহার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর অ্যান্থনি এলাঙ্গা সমতা ফেরান, পরে মার্ক বার্নালের কাছ থেকে আরেকটি গোল হজম করে নিউক্যাসল এলাঙ্গার শটে আবারও জবাব দেয় ২৮ মিনিটে। তাতেও অবশ্য লাভ হয়নি। যোগ করা সময়ে লামিনে ইয়ামালের পেনাল্টি থেকে গোল স্বাগতিকদের এগিয়ে দেয়।
এর পর তৃতীয়বারের মতো আর সমতায় ফিরতে পারেনি সফরকারীরা। বিরতির পর ফেরমিন লোপেজের পাল্টা আক্রমণ থেকে আসা গোলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। এরপর রবের্ত লেভানডোভস্কি দ্রুত দুটি গোল যোগ করেন, যার দ্বিতীয়টি ছিল ইয়ামালের দুর্দান্ত পাস থেকে। শেষ দিকে নিউক্যাসলের বক্সে বল কেড়ে নিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বড় জয় নিশ্চিত করেন রাফিনহা।
বায়ার্ন ৪-১ আটালান্তা: দুই লেগ মিলিয়ে ফল ১০-২
দ্বিতীয় লেগে হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে দাপুটে জয় পেয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ।
জর্জিও স্কালভিনির হ্যান্ডবলে পাওয়া পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল করেন কেইন। এরপর দুর্দান্ত টার্ন নিয়ে জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে নিজের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
লুইস দিয়াজের পাস থেকে লেনার্ট কার্ল তৃতীয় গোলটি করেন। পরে একইভাবে দিয়াজকেও গোল করাতে সহায়তা করেন ১৮ বছর বয়সী এই ফুটবলার। শেষ দিকে লাজার সামারজিচ হেড করে একটি সান্ত্বনার গোল শোধ করলে তা ব্যবধান কমায় মাত্র।
লিভারপুল ৪-০ গ্যালাতাসারাই: দুই লেগ মিলিয়ে ফল ৪-১
প্রথম লেগে পিছিয়ে থেকেও ঘুরে দাঁড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে লিভারপুল। ।
২৫তম মিনিটে ডমিনিক সোবোসজলাইয়ের নিখুঁত শটে স্কোরে সমতা ফেরায় তারা। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে সালাহর পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন উগুরজান চাকির, তবে বিরতির পর ছয় মিনিটেই ঘুরে দাঁড়ায় লিভারপুল। সালাহর পাস থেকে হুগো একিতিকে গোল করেন। দুই মিনিট পর রায়ান গ্রাভেনবার্খ ব্যবধান বাড়ান। ৬২ মিনিটে নিজেই গোল করে আফ্রিকার প্রথম ফুটবলার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন সালাহ।
টটেনহাম ৩-২ অ্যাতলেতিকো, দুই লেগ মিলিয়ে ফল ৫-৭
লন্ডনে হেরে গেলেও দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ।
কোলো মুয়ানির হেডে প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল টটেনহাম, তবে বিরতির পরই ১৭ ম্যাচে ১৪তম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ গোল করে সমতা ফেরান হুলিয়ান আলভারেজ।
জাভি সিমন্সের দারুণ কার্লিং শটে আবার এগিয়ে যায় টটেনহাম। কিন্তু ডেভিড হানকোর হেড প্রায় শেষ করে দেয় তাদের সব আশা। যোগ করা সময়ে সিমন্স পেনাল্টি থেকে গোল করে ম্যাচ জেতালেও দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৫ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শেষ আট নিশ্চিত করে অ্যাতলেতিকো।