বুধবার ৮ই জুলাই, ২০২৬

ইরাকের নাজাফে শুরু খামেনির শেষযাত্রা, লাখো মানুষের ঢল

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে ইরাকের পবিত্র নাজাফ শহরে। এই শোক মিছিলে অংশ নিয়েছেন লাখো শোকসন্তপ্ত মানুষ। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।

এর আগে গতকাল ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে খামেনির মরদেহ ইরাকের এই শহরে পৌঁছায়। সেখানে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার ছবি হাতে শোকাতুর জনতা এবং সমর্থকেরা তাদের স্বাগত জানান। এ সময় রাস্তায় অনেককে বুক চাপড়ে ও মাতম করে শোক প্রকাশ করতে দেখা যায়।

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনটি একটি কাচের বাক্সে রাখা হয়েছে। শোক মিছিলে অংশ নেওয়া মানুষ এ সময় ইরানের পতাকার পাশাপাশি শোক ও প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে লাল এবং কালো পতাকা প্রদর্শন করেন।

খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নেওয়া জাফর জাভেদ নামের এক ইরাকি নাগরিক বলেন, আমরা, ইরাকের জনগণ, শত্রুদের চোখের কাঁটা হয়েই থাকব। আমাদের কাছে তার এই আগমন সর্বোচ্চ সম্মানের। আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা বিশ্বস্ত থাকব এবং পবিত্র নাজাফ শহরে তার পাওনার সামান্যতম হলেও শোধ করার চেষ্টা করব।

নাজাফে খামেনির জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ইমাম আলীর মাজার বা রওজা শরিফে। এই জানাজায় ইমামতি করবেন নাজাফ সেমিনারির জ্যেষ্ঠ পণ্ডিত মুহাম্মদ তাকি আল-হাকিম।

নাজাফের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খামেনির মরদেহ প্রথমে কারবালা শহরে নিয়ে যাওয়া হবে এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে ইরানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

Translate