সাধারণত রশিদ খান যে দলের জার্সি গায়ে জড়ান, সে দলের তুরুপের তাস মনে করা হয় তাকে। অন্তত তার চারটি ওভারে প্রতিপক্ষ হাত খুলে খেলতে পারবে না, এমন একটা গ্যারান্টি-ই যেন পাওয়া যায়। রশিদ বহু বছর ধরে এমন আস্থার প্রতিদান দিয়ে এসেছেন। কিন্তু এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) তাকে মুদ্রার উলটো পিঠ দেখিয়েছে।
গুজরাট টাইটান্সের এই আফগান তারকা এবার পুরো আসরে ১০ উইকেটের কোটাও ছুঁতে পারেননি। উলটো আইপিএলের এক আসরে সর্বোচ্চ ছক্কা হজমের মাধ্যমে বিব্রতকর এক কীর্তি যোগ হয়েছে তার নামের পাশে।
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে এলিমিনেটর ম্যাচে ২০ রানে হেরেছে রশিদের গুজরাট। এদিন ৪ ওভার বল করেও কোনো উইকেট পাননি রশিদ, খরচ করেছেন ৩১ রান।
নিজের ৪ ওভারে দুটি ছক্কা হজম করেছেন রশিদ। আর তাতেই আইপিএলের চলমান আসরে রশিদের হজম করা ছক্কার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩টি ছক্কা। এতদিন টুর্নামেন্টটির এক আসরে সর্বোচ্চ ৩১ ছক্কা হজমের রেকর্ডটি ছিল মোহাম্মদ সিরাজের দখলে। তাকে সেই লজ্জা থেকে মুক্তি দিলেন তারই গুজরাট সতীর্থ রশিদ।
আইপিএলের লিগপর্বে গুজরাটের শেষ ম্যাচে সিরাজের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে ভাগ বসান রশিদ। আর মুম্বাইয়ের বিপক্ষে তাকেও ছাড়িয়ে গেছেন।
২০২২ সালে সিরাজ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ১৫ ইনিংসে ৩১ ছক্কা খেয়েছিলেন। এ ছাড়া ২০২৪ সালে যুজবেন্দ্র চাহাল এবং ২০২২ আসরে শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা হজম করেন সমান ৩০টি ছক্কা।
এবারের আইপিএল আসর রশিদ ভুলে যেতে পারলেই বাঁচেন। টুর্নামেন্টে ১৫ ম্যাচ খেলে ৯.৩৪ গড়ে তার ঝুলিতে গেছে মোটে ৯টি উইকেট।