রবিবার ২১শে জুন, ২০২৬

সহজ জয়ে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেছে অস্ট্রেলিয়া

ওয়ানডেতে দাপট দেখাতে পারলেও টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। উল্টো মিচেল মার্শরা ফেরায় সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে হোয়াইটওয়াশ হতে হয়েছে। তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ তে জিতে নিয়েছে অজি দল।

চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়াকে খুব বেশি বড় সংগ্রহ দিতে পারেনি স্বাগতিক দল। ১১০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে। সেই লক্ষ্য তারা অনায়াসেই ৩ উইকেটে ১১তম ওভারেই তাড়া করেছে।

ওপেনিং জুটিতে পাওয়ার প্লেতেই অস্ট্রেলিয়া যোগ করেছে ৫৪ রান। জশ ইংলিস ১৭ রান করে ফিরলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। প্রথম উইকেটটি নেন নাসুম আহমেদ।

তার পর জয়ের মূল কারিগর ছিলেন অধিনায়ক ও ওপেনার মিচেল মার্শ। ২৮ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৬০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন তিনি। তার ব্যাটেই জয়ের কাছে পৌঁছায় দল। মার্শকে ৬০ রানে শরিফুল ইসলাম যখন থামান, তখন স্কোর ছিল ৮৮ রানে ২ উইকেট। তার পর কুপার কনোলি রিশাদের বলে ১৫ রানে ফিরলে টিম ডেভিড ৩ বলে ২ ছক্কায় ১২ রান করে দ্রুত জয় নিশ্চিত করেছেন। সঙ্গে ম্যাট রেনশ ৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

এরআগে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে বাজে ব্যাটিংয়ের উদাহরণ রাখে বাংলাদেশ। টস জিতে ৮ উইকেটে করেছে ১০৯ রান।

পাওয়ার প্লেতে ১১ রানের মধ্যে পড়ে যায় ৩ উইকেট। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ। বরং নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নিজেদের অবস্থাকে আরও অগোছালো করেছে। ৬৫ রানে পড়েছে সপ্তম উইকেট। একশর আগে গুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা জাগলেও ব্যাট হাতে একা লড়াই করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ৫১ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের পুরো ইনিংসের মূল ভিতটাই ছিল হৃদয়ের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬ রান করেছেন রিশাদ হোসেন।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি করে উইকেট নেন স্পেন্সার জনসন, নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা। একটি নিয়েছেন নিখিল চৌধুরী।

Translate