বৃহস্পতিবার ১৮ই জুন, ২০২৬

১৮টি তালা ভেঙে স্বর্ণের দোকানে চুরি, একমাসেও উদ্ধার হয়নি স্বর্ণালংকার

লোহার গ্রিলের ১৮টি তালা কেটে স্বর্ণের দোকানের প্রদর্শনীতে থাকা ১৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার চুরি হয়। গত ২১ মে রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ বাদামতল সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটের চতুর্থ তলায় আঁখি জুয়েলার্সে স্বর্ণ চুরির এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রায় এক মাস পার হয়েছে। কিন্তু স্বর্ণচোরদের গ্রেপ্তার কিংবা চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার কোনটিই করতে পারেনি ডবলমুরিং থানা পুলিশ। এ অবস্থায় খোয়া যাওয়া স্বর্ণলংকার ফেরত পাবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান স্বর্ণের দোকানদার রূপম বণিক।

তিনি জানান, দোকানে চুরির পর পরই পুলিশ এসেছিল। সন্দেহজনকভাবে মার্কেটের নিরাপত্তা প্রহরীকে ধরে নিয়ে গেছে। স্বর্ণ চুরি করে যারা আমাকে পথে বসিয়েছে তাদের কাউকে পুলিশ ধরতে পারেনি। খোয়া স্বর্ণালংকারও উদ্ধার হয়নি। এ ঘটনায় গত ২৩ মে দোকানের মালিক রূপম বণিক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে ডবলমুরিং থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন।

জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডবলমুরিং থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) রিদুয়ানুল হক জানান, স্বর্ণের দোকান যারা চুরি করেছে তারা সবাই পেশাদার। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর পর মার্কেটের নিরাপত্তা প্রহরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিরাপত্তা প্রহরী ঘটনায় জড়িত। তার বিরুদ্ধেও প্রায় ১৫টি মামলা রয়েছে।

ডাকাতি সংঘটিত স্বর্ণের দোকানদার রূপম বণিক জানান, ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ সিঙ্গাপুর-ব্যাংকক মার্কেটের চতুর্থ তলায় আাঁখি জুয়েলার্স নামে তার একটি স্বর্ণের দোকান রয়েছে। গত ২১ মে প্রতিদিনের মতো রাত নয়টার সময় দোকান বন্ধ করে তিনি বাসায় চলে যান। পরদিন সকাল দশটার সময় পাশের দোকানদার রাজীব পাল ফোন করে বলেন, স্বর্ণের দোকানের সার্টার (দরজা) অর্ধেক খোলা। খবর পেয়ে দোকানে গিয়ে রূপম দেখতে পান তার দোকানের তিনটি গেটের ১৮টি তালা ভেঙে ফেলা হয়েছে। দোকানের ডিসপ্লেতে থাকা ২১ ক্যারেটের ৯৯টি নাক ফুল, ২২ ক্যারেটের ১০৮টি নাকফুল, ২২ ক্যারেটের ২২টি আংটি চুরি হয়েছে। এসব স্বর্ণের বাজার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। রূপম বণিক জানান, ২১ মে রাত নয়টা থেকে ২২ মে সকাল দশটার মধ্যবর্তী সময়ে তার দোকানের স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে।

Translate