এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম পূর্বকোণকে বলেন, ‘কাপ্তাই লেক থেকে পানি ছাড়া হ্রাসের কারণে হালদা ও কর্ণফুলী নদীর পানিতে মাত্রাতিরিক্ত লবণ পাওয়া যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহের মধ্যে হালদা নদীর মোহরা পানি শোধনাগারের পানি উত্তোলন পয়েন্টে প্রতিলিটার পানিতে সর্বোচ্চ ২৯০০ মিলিগ্রাম এবং মদুনাঘাট পানি শোধনাগারের পানি উত্তোলন পয়েন্টে প্রতিলিটার পানিতে সর্বোচ্চ ১৯০২ মিলিগ্রাম লবণ পাওয়া গেছে। এতে দৈনিক ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পানি উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। একইসাথে কর্ণফুলী নদীর পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্পের দুটি ইউনিটে পানি উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। এ অবস্থায় জোয়ারের সময় হালদা নদীর দুটি প্রকল্পে পানি উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় নগরীর বিভিন্ন স্থানে রেশনিং করে পানি সরবরাহ করছে ওয়াসা।’