মঙ্গলবার ২১শে এপ্রিল, ২০২৬

হেড, মার্শ ও গ্রিনের সেঞ্চুরিতে রেকর্ড ওলটপালট করে অস্ট্রেলিয়ার জয়

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ এক ম্যাচ আগেই হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। রবিবার হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে তারা নিজেদের ফিরে পেলো। ট্র্যাভিস হেড, মিচেল মার্শ ও ক্যামেরন গ্রিনের সেঞ্চুরিতে ২ উইকেটে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩১ রান করে। তারপর কুপার কনোলির ঘূর্ণিতে দেড়শ পার করেই অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজের ট্রফি নেওয়ার দিনে তারা নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার দেখলো।

২৫তম ওভারের এক বর বাকি থাকতে ১৫৫ রানে অলআউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তারা হেরেছে ২৭৬ রানে। ২২ বছর ২ দিন বয়সী কনোলি সর্বকনিষ্ঠ অস্ট্রেলিয়ান বোলার হিসেবে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন। ২২ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। তাকে ব্র্যাড হজকে (৫/৩২) পেছনে ফেলে অস্ট্রেলিয়ান স্পিনার হিসেবে সেরা বোলিং ফিগার গড়লেন কনোলি।

দক্ষিণ আফ্রিকার ১৫৫ রানের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪৯ রান করেন ডেভাল্ড ব্রেভিস। ৫০ রানে চার উইকেট পড়ার পর টনি ডি জর্জিকে (৩৩) নিয়ে ৫৭ রানের জুটি গড়েন তিনি।

৪৮ রানের ব্যবধানে শেষ ৬ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। অজিদের পক্ষে জাভিয়ের বার্টলেট ও শন অ্যাবট দুটি করে উইকেট নিয়ে অবদান রাখেন।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই আড়াইশ ছোঁয় অস্ট্রেলিয়া। হেড ও মার্শের জুটি ভাঙে ৩৫তম ওভারে। ৮০ বলে সেঞ্চুরি করা হেড ১০৩ বলে ১৭ চার ও ৫ ছয়ে ১৪২ রানে আউট হন।

মার্শও ফিরে যান এক ওভার বিরতি দিয়ে। ১০৫ বলে সেঞ্চুরি করে তিনি থামেন ১০০ রানে।

তারপর গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি অপরাজিত থেকে দলকে রানের পাহাড়ে তোলেন। ৪৭ বলে নিজের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেন গ্রিন, যা কোনও অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারের দ্বিতীয় দ্রুততম। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনিই করেছেন দ্রুততম সেঞ্চুরি।

৮২ বলে ১৬৪ রানের অপরাজিত জুটি গড়ার পথে ক্যারি হাফ সেঞ্চুরি করেন। ৩৭ বলে ৫০ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। গ্রিন ৫৫ বলে ৬ চার ও ৮ ছয়ে ১১৮ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন।

ম্যাচসেরা হয়েছেন হেড। দক্ষিণ আফ্রিকা রেকর্ড রানে হারলেও ২-১ এ ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি হাতে নিয়েছে। একই ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল অজিরা।

Translate